জনপ্রতিনিধি হিসেবে মানুষের পাশে থাকাই একমাত্র লক্ষ ছিল সারাজীবন

গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও উন্নয়নের ইতিহাস

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বারবার এইদেশে ছিনিয়ে নেয়া গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিয়েছে। বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত একজন নির্বাচিত , গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রপতি ছিলেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৪১ বছরে আপোষহীন গণতান্ত্রিক সংগ্রামে জীবনের শেষদিন পর্যন্ত ছিলেন বাংলাদেশের ঐক্যের প্রতীক ও গণতন্ত্রের ধারক ও বাহক। কেরানীগঞ্জের উন্নয়নে একমাত্র বিএনপি সরকার বুড়িগঙ্গা নদীর ওপর স্থাপিত ৩টি সেতুর মধ্যে ৩টিই নিজেদের শাসনামলে ভিত্তিপ্রস্তর এবং সম্পন্ন করে। এরমধ্যে বুড়িগঙ্গা ২য় ও ৩য়  উভয় সেতু উদ্ভোধন করেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং কেরানীগঞ্জের মা, মাটি ও মানুষের নেতা আলহাজ্ব আমান উল্লাহ আমান 

বুড়িগঙ্গা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান

রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ঢাকায় বুড়িগঙ্গা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করছেন। বুড়িগঙ্গা সেতু, যা চীন-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু নামেও পরিচিত, এটি ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্প যা ঢাকা শহরকে বুড়িগঙ্গা নদীর ওপারে দক্ষিণাঞ্চলের সাথে সংযুক্ত করেছে। এই সেতু পরবর্তীতে রাজধানীর বাণিজ্য ও যাতায়াতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ পথ হয়ে ওঠে।

কেরানীগঞ্জে রাস্তা নির্মাণ কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ভাষণরত জিয়াউর রহমান

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ঢাকার কেরানীগঞ্জে রাস্তা নির্মাণ কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ভাষণ দিচ্ছেন। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তাঁর শাসনামলে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তিনি সারাদেশে রাস্তাঘাট, সেতু ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে বিপুল সংখ্যক জনতা রাষ্ট্রপতির ভাষণ শুনছেন। 

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে টিএসসি চত্বরে

ছবিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দেখা যাচ্ছে। তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি (টিচার-স্টুডেন্ট সেন্টার) চত্বরে আয়োজিত আলোকচিত্র প্রদর্শনী পরিদর্শন করছেন। বেগম খালেদা জিয়া মনোযোগ সহকারে ছবিগুলো দেখছেন এবং তাঁর পাশে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত রয়েছেন।

শেরেবাংলা নগরের এক জনসভায় অটোগ্রাফ দিচ্ছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় একজন তরুণ সমর্থককে অটোগ্রাফ দিতে দেখা যাচ্ছে। এই মুহূর্তটি জননেত্রীর সাথে সাধারণ মানুষের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের প্রতিফলন। মঞ্চে তাঁর পাশে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমান। 

১৯৮৭ সালের ১১ নভেম্বর স্বৈরাচারের পুলিশ হোটেল পূর্বাণী থেকে বেগম খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার করে

১৯৮৭ সালের ১১ নভেম্বর , সেসময় বাংলাদেশে জেনারেল এরশাদের স্বৈরশাসন চলছিল। বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। এই দিনে স্বৈরাচারী সরকারের পুলিশ ঢাকার হোটেল পূর্বাণী থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে। এই গ্রেফতার গণতন্ত্রকামী আন্দোলনকে আরও বেগবান করেছিল।

সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের সংগ্রামী ছাত্র নেতারা বেলুন উড়িয়ে বিজয় উৎসব উদযাপন করছেন

৬ ডিসেম্বর স্বৈরাচারী জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ গণআন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। দীর্ঘ নয় বছরের স্বৈরশাসনের অবসান ঘটে এবং বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়। এই আন্দোলনে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

দেশনেত্রী ৮ ঘণ্টাব্যাপী তার রাজপথে অবস্থানের এক পর্যায়ে মগবাজার থেকে পায়ে হেঁটে মৌচাক যাওয়া

সেসময় স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের পতনের দাবিতে সারাদেশে তীব্র গণআন্দোলন চলছিল। বিএনপি চেয়ারম্যান ও সাতদলীয় জোট নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতৃত্বে ছিলেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে তিনি ৮ ঘণ্টাব্যাপী রাজপথে অবস্থান কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকার মগবাজার থেকে মৌচাক পর্যন্ত পায়ে হেঁটে যাচ্ছেন। তাঁর চারপাশে হাজার হাজার সমর্থক ও নেতাকর্মী। এই গণজোয়ার পরবর্তীতে এরশাদের পতন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

ডাকসুতে ছাত্রদলের ভিপি পদপ্রার্থী আমান উল্লাহ আমান গতকাল ডাকসু ভবনের সামনে বক্তব্য রাখেন।

ছবিতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতা আমান উল্লাহ আমানকে দেখা যাচ্ছে, যিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভিপি (ভাইস প্রেসিডেন্ট) পদে প্রার্থী ছিলেন। তিনি ডাকসু ভবনের সামনে জমায়েত হওয়া ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখছেন। ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন চলাকালীন ডাকসু নির্বাচন ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ছাত্রদল এই নির্বাচনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে এবং আমান উল্লাহ আমান ছাত্র রাজনীতিতে একজন প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য আয়োজিত ছাত্র-শিক্ষক অভিভাবক সমাবেশে ডাকসু ভিপি আমান উল্লাহ আমান

সেসময় স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে গণআন্দোলন তুঙ্গে ছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাদদেশে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের উদ্যোগে ছাত্র-শিক্ষক-অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এই সমাবেশে সভাপতির ভাষণ দিচ্ছেন তৎকালীন ডাকসু ভিপি আমান উল্লাহ আমান। তাঁর সামনে দেশের বিশিষ্ট শিক্ষক, রাজনীতিবিদ, ছাত্রনেতা ও গণ্যমান্য অতিথিবৃন্দ উপবিষ্ট। এই সমাবেশ স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনকে আরও জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।

সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন ডাকসুর নেতৃবৃন্দ।

 ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের পতনের পর এবং ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে ডাকসুর (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ) নেতৃবৃন্দ সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে নির্মিত এই স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানানো ছিল একটি ঐতিহ্যবাহী রীতি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে ছাত্রনেতারা ফুলের তোড়া হাতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পর এই শ্রদ্ধাঞ্জলি বিশেষ তাৎপর্য বহন করেছিল।

সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য

 স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য ছিল একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম যেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের ছাত্র সংগঠনগুলো একত্রিত হয়েছিল। ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর এরশাদের পতনের পর এবং ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের নেতৃবৃন্দ সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে বিপুল সংখ্যক ছাত্রনেতা ও কর্মী স্মৃতিসৌধে সমবেত হয়েছেন। এই শ্রদ্ধাঞ্জলি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের বিজয় উদযাপনেরও অংশ ছিল।

কর্মসূচী চলাকালে গুলীতে নিহত জাহিদের লাশ নিয়ে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য

স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন চলাকালীন সময়ে পুলিশের গুলিতে জাহিদ নামক এক তরুণ শহীদ হন। তাঁর এই আত্মত্যাগ স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করে। সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য শহীদ জাহিদের লাশ নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে প্রতিবাদ মিছিল বের করে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে হাজার হাজার ছাত্র-জনতা সমবেত হয়েছেন শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে। এই ঘটনা স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনকে আরও তীব্র করে তোলে এবং জনমনে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করে।

ডাকসু ভবনের সামনে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের সমাবেশে ডাকসু'র ভিপি আমান উল্লাহ আমান বক্তব্য রাখেন।

১৯৯০ সালের ১৮ অক্টোবর  স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে ছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মিছিল শেষে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য ডাকসু (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ) ভবনের সামনে সমাবেশের আয়োজন করে। এই সমাবেশে ডাকসু ভিপি আমান উল্লাহ আমান বক্তব্য রাখেন। 

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের সরকারি অধ্যাদেশ বাতিল ও সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবিতে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য

স্বৈরাচারী এরশাদ সরকার গণআন্দোলন দমনের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার অধ্যাদেশ জারি করে। এর প্রতিবাদে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা এই কালো অধ্যাদেশ বাতিল এবং সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবিতে মিছিল বের করে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে ছাত্ররা ব্যানার হাতে স্লোগান দিচ্ছেন।

সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের এক শোক মিছিলে গতকাল রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন চলাকালীন সময়ে পুলিশের গুলিতে বেশ কয়েকজন ছাত্র ও আন্দোলনকারী শহীদ হন। তাঁদের স্মরণে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য ঢাকা রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে শোক মিছিল বের করে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে বিপুল সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী কালো পতাকা ও ব্যানার হাতে নিয়ে শোক মিছিলে অংশ নিয়েছেন। 

সচিবালয় কর্মসূচী চলাকালে আন্দোলনরত ছাত্রদের উপর সশস্ত্র মাস্তানদের হামলার প্রতিবাদ

স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন তখন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছিল। সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য মন্ত্রীপাড়া (মন্ত্রীদের বাসভবন এলাকা) ঘেরাও কর্মসূচী পালন করছিল। এই কর্মসূচী চলাকালে স্বৈরাচারী এরশাদ সরকার আন্দোলনরত শান্তিপূর্ণ ছাত্রদের উপর সশস্ত্র মাস্তান লেলিয়ে দেয়। এর প্রতিবাদে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য ঢাকা নগরীতে বিশাল প্রতিবাদ মিছিল বের করে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে হাজার হাজার ছাত্র সারিবদ্ধভাবে হাত উঁচিয়ে স্লোগান দিয়ে মিছিলে অংশ নিচ্ছেন। এই ঘটনা সরকারের দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে জনরোষ আরও বাড়িয়ে দেয়।

সরকারী আদেশ অমান্য করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ও সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যে ক্লাসে যোগদান।

স্বৈরাচারী এরশাদ সরকার গণআন্দোলন দমনের উদ্দেশ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু এই অন্যায় সরকারী আদেশ অমান্য করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ও সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য যৌথভাবে ক্লাস পরিচালনার উদ্যোগ নেয়। ছবিতে দেখা যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা শ্রেণীকক্ষে উপস্থিত হয়ে শিক্ষকের বক্তব্য শুনছেন। এই প্রতীকী প্রতিরোধ ছিল স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে অসহযোগ আন্দোলনের অংশ। শিক্ষক ও ছাত্রদের এই ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করেছিল।

গতকাল সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের মিছিল। দৈনিক ইনকিলাব, ২১ নভেম্বর ১৯৯০

স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের পতনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে এই মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য ছিল বিভিন্ন রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনের একটি সম্মিলিত প্ল্যাটফর্ম যা স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল। ছবিতে দেখা যাচ্ছে ছাত্রনেতা ও কর্মীরা ঢাকার রাজপথে মিছিল করছেন। নভেম্বর মাসে আন্দোলন চূড়ান্ত রূপ নেয় এবং অবশেষে ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ সালে এরশাদ পদত্যাগে বাধ্য হন। এই মিছিল সেই ঐতিহাসিক বিজয়ের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল।

সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য গতকাল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। দৈনিক সংগ্রাম, ২২ নভেম্বর ১৯৯০

স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের পতনের মাত্র দুই সপ্তাহ আগে এই বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে এই বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রী ঐক্যবদ্ধভাবে মিছিলে অংশ নিয়েছেন। নভেম্বর মাসে আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছিল এবং সারাদেশে গণজাগরণ সৃষ্টি হয়েছিল। এই ধরনের বিক্ষোভ কর্মসূচী ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ সালে এরশাদের পতন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথ প্রশস্ত করেছিল।

পুরানাপল্টন মোড়ে বিশাল সমাবেশে ভাষণ দেন সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের নেতা ও ডাকসু ভিপি আমান উল্লাহ আমান।

দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এই দিনেই স্বৈরাচারী জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ গণআন্দোলনের মুখে পদত্যাগে বাধ্য হন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে ঢাকার পুরানাপল্টন মোড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষের এক বিশাল জনসমুদ্রে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের নেতা ও ডাকসু ভিপি আমান উল্লাহ আমান ভাষণ দিচ্ছেন। এই সমাবেশ ছিল দীর্ঘ নয় বছরের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণবিস্ফোরণের চূড়ান্ত প্রকাশ। এই দিনেই বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়।

স্বৈরাচার এরশাদের বিদায়ের খবর শুনে ডাকসুর ভিপি আমান উল্লাহ আমানকে কাঁধে নিয়ে বিজয় উল্লাস

দীর্ঘ নয় বছরের স্বৈরশাসনের অবসান ঘটিয়ে জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ পদত্যাগ করেন। এই সুসংবাদ শোনার সাথে সাথে সারাদেশে বিজয় উল্লাস শুরু হয়। ছবিতে দেখা যাচ্ছে উল্লসিত ছাত্র সমাজ তাদের প্রিয় নেতা ডাকসু ভিপি আমান উল্লাহ আমানকে কাঁধে তুলে নিয়ে বিজয় উদযাপন করছেন। আমান উল্লাহ আমান স্বৈরাচার বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা ছিলেন এবং সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের মাধ্যমে আন্দোলনকে সফলতার দিকে নিয়ে যান। 

গতকাল বিশ্ববিদ্যালয় অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের সমাবেশ।

৬ ডিসেম্বর স্বৈরাচারী জেনারেল এরশাদ গণআন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেন। এই ঐতিহাসিক বিজয়ের পরদিন সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের “অপরাজেয় বাংলা” ভাস্কর্যের পাদদেশে বিজয় সমাবেশের আয়োজন করে। অপরাজেয় বাংলা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতীক এবং ছাত্র আন্দোলনের পবিত্র স্থান। ছবিতে দেখা যাচ্ছে হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রী এই ভাস্কর্যের সামনে সমবেত হয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের বিজয় উদযাপন করছেন। এই সমাবেশ ছিল দীর্ঘ নয় বছরের স্বৈরাচার বিরোধী সংগ্রামের সফল পরিসমাপ্তির উৎসব।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের সমাবেশে ভাষণ।

স্বৈরাচারী এরশাদের পতনের প্রায় এক সপ্তাহ পর এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক “অপরাজেয় বাংলা” ভাস্কর্যের পাদদেশে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের বিশাল সমাবেশে ভাষণ দিচ্ছেন ডাকসু ভিপি আমান উল্লাহ আমান। ছবিতে দেখা যাচ্ছে বিপুল সংখ্যক ছাত্র-জনতা সমাবেশে উপস্থিত। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পর এই সময়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন ও জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছিল। আমান উল্লাহ আমান সম্ভবত আগামী দিনের করণীয় ও গণতান্ত্রিক উত্তরণ সম্পর্কে ছাত্র সমাজকে দিকনির্দেশনা দিচ্ছিলেন।

লোটন-জোটনের বিচারের দাবীতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের বিক্ষোভ সমাবেশ।

স্বৈরাচার এরশাদের পতনের পর গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সাথে সাথে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার যুদ্ধাপরাধী ঘাতক-দালালদের বিচারের দাবি জোরদার হয়। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (তৎকালীন জগন্নাথ কলেজ) প্রাঙ্গণে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য এই দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে “সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য” লেখা ব্যানার হাতে ছাত্ররা সমবেত হয়েছেন। বিজয় দিবসে এই সমাবেশ ছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার দাবির প্রতীক।

২০০৪ সালে কেরানীগঞ্জে ব্যাংকার্সদের মাঝে ঋণ বিতরণ অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া

২০০৪ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় ছিল এবং বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঢাকার কেরানীগঞ্জে ব্যাংকার্সদের মাঝে ঋণ বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছেন। তাঁকে লাল গালিচা দিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে নিয়ে যাচ্ছেন তৎকালীন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান। আমান উল্লাহ আমান ছিলেন কেরানীগঞ্জের সংসদ সদস্য এবং ১৯৯০ সালের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম নেতা। এই অনুষ্ঠানটি ছিল ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের একটি সরকারি উদ্যোগ।

১৯৯২ সালে ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের বিএনপিতে যোগদান অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া

১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি জয়লাভ করার পর বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৯২ সালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে (সুন্দা অফিস) কেরানীগঞ্জ উপজেলার সকল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের বিএনপিতে যোগদানের একটি অনুষ্ঠান চলছে। এই অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাথে আলাপরত অবস্থায় দেখা যাচ্ছে তৎকালীন ডাকসু ভিপি ও সংসদ সদস্য আমান উল্লাহ আমানকে। আমান উল্লাহ আমান কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দকে দলে অন্তর্ভুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

১৯৯২ সালের ২২ মে কেরানীগঞ্জের জয়নগর মাঠে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ক্রেস্ট উপহার দিচ্ছেন জনাব আমান উল্লাহ আমান, এম.পি

১৯৯১ সালের নির্বাচনে বিএনপি বিজয়ী হওয়ার পর বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ১৯৯২ সালে ঢাকার কেরানীগঞ্জের জয়নগর মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তৎকালীন ডাকসু ভিপি ও সংসদ সদস্য আমান উল্লাহ আমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সম্মাননা ক্রেস্ট উপহার দিচ্ছেন। আমান উল্লাহ আমান কেরানীগঞ্জ এলাকার সংসদ সদস্য হিসেবে এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন। এটি ছিল স্থানীয় জনগণের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে সম্মান জানানোর একটি উল্লেখযোগ্য মুহূর্ত।

১৯৯২ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাথে চীন সফরে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি পেং এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সরকারি সফরে চীন গমন করেন। এই সফরে তাঁর সাথে ছিলেন তৎকালীন ডাকসু ভিপি ও সংসদ সদস্য আমান উল্লাহ আমান। ছবিতে দেখা যাচ্ছে চীনের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী লি পেং-এর সাথে আমান উল্লাহ আমান সৌজন্য সাক্ষাৎ করছেন এবং করমর্দন করছেন। এই সফর বাংলাদেশ-চীন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। তরুণ সংসদ সদস্য হিসেবে আমান উল্লাহ আমানের এই কূটনৈতিক সফরে অংশগ্রহণ তাঁর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায় ছিল।

২০০২ সালে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মাননীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

২০০২ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় ছিল এবং বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। আমান উল্লাহ আমান তখন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, স্বাস্থ্য মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান একসাথে উপস্থিত রয়েছেন। অনুষ্ঠানে একজন নারীকে সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও স্বাস্থ্য সেবা উন্নয়নে সরকারের এই উদ্যোগ ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

২০০২ সালে বগুড়ায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী

২০০২ সালের ১৬ জানুয়ারি বগুড়া জেলায় ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করছেন। তাঁর পাশে উপস্থিত রয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমান এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামে এই মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা ছিল উত্তরবঙ্গের স্বাস্থ্য সেবা উন্নয়নে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

২০০৩ সালের ২৩ মে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বমুহূর্তে আমান উল্লাহ আমান

বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারে মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের সময় আমান উল্লাহ আমান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে দায়িত্ব হস্তান্তরের পূর্বমুহূর্তে সাবেক শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজাফফর রহমান খান আজাদ ফুলের তোড়া দিয়ে নবনিযুক্ত প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমানকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। এটি ছিল সরকারি দায়িত্ব হস্তান্তরের একটি সৌজন্যমূলক অনুষ্ঠান যেখানে বিদায়ী ও নবাগত প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে শুভেচ্ছা বিনিময় হচ্ছে।

কুষ্টিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া

বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে কুষ্টিয়া জেলায় একটি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়। ছবিতে দেখা যাচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করছেন এবং তাঁর পাশে রয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান। কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন ছিল দেশের যুবসমাজকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে এই ধরনের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বেকারত্ব দূরীকরণে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

২০০৩ সালে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের শেষ কার্যদিবসে বিদায় অনুষ্ঠানে আমান উল্লাহ আমান

আমান উল্লাহ আমান বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের ফলে তিনি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে বদলি হন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে তাঁর শেষ কার্যদিবসে একটি বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ছবিতে দেখা যাচ্ছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ফজলুর রহমান বিদায়ী প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমানকে সম্মাননা ক্রেস্ট উপহার দিচ্ছেন। এটি ছিল মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে প্রতিমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা জানানোর একটি মুহূর্ত।

যশোর কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উদ্বোধনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া

বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে যশোর জেলায় একটি কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়। ছবিতে দেখা যাচ্ছে উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, বন ও পরিবেশ মন্ত্রী তরিকুল ইসলাম এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান একসাথে মোনাজাত করছেন। ব্যানারে “বেগম খালেদা জিয়া” লেখা দেখা যাচ্ছে। কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন ছিল দেশের যুবসমাজকে কর্মমুখী শিক্ষায় দক্ষ করে তোলার এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি উদ্যোগ।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে কর্মব্যস্ত আমান উল্লাহ আমান

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমানকে তাঁর অফিস কক্ষে কর্মব্যস্ত অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। ২০০৩ সালের ২৩ মে তিনি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে তিনি স্যুট-টাই পরিহিত অবস্থায় অফিসের ডেস্কে বসে সরকারি কাগজপত্র পর্যালোচনা করছেন। তাঁর সামনে টেলিফোন ও বিভিন্ন নথিপত্র রয়েছে। শ্রমিকদের কল্যাণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিদেশে জনশক্তি রপ্তানি সংক্রান্ত বিষয়গুলো এই মন্ত্রণালয়ের অধীনে ছিল।

কুষ্টিয়া কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া

বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে কুষ্টিয়া জেলায় কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উদ্বোধন উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ছবিতে দেখা যাচ্ছে মঞ্চে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান পাশাপাশি বসে আছেন। পেছনে ব্যানারে “বেগম খালেদা” লেখা দেখা যাচ্ছে। এই বিশেষ মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী একসাথে অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন। কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন ছিল দেশের বেকার যুবসমাজকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করার সরকারি উদ্যোগের অংশ।

২০০৪ সালে ঢাকা ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বেচ্ছায় অবসরপ্রাপ্ত ও চাকরিচ্যুত শ্রমিকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ঋণ বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে স্বেচ্ছায় অবসরপ্রাপ্ত এবং চাকরিচ্যুত শ্রমিকদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ প্রদান ও ঋণ বিতরণ করা হয়। ছবিতে দেখা যাচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া একজন প্রবীণ শ্রমিককে ঋণ প্রদান করছেন। তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে আছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান। এই উদ্যোগ ছিল বেকার ও চাকরিহারা শ্রমিকদের আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করে তোলার একটি সরকারি প্রকল্প।

২০০৪ সালের ১১ মার্চ রাজশাহী কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। পাশে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান

বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে রাজশাহী জেলায় কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। ছবিতে দেখা যাচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করছেন। ফলকে “বেগম খালেদা জিয়া” নাম লেখা রয়েছে। তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে আছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান। উত্তরবঙ্গের প্রধান শহর রাজশাহীতে এই কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন ছিল এলাকার যুবসমাজকে কর্মমুখী শিক্ষায় দক্ষ করে তোলার এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি উদ্যোগ।

২০০৫ সালের ৭ মার্চ ঠাকুরগাঁও কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। পাশে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান

বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে দেশের বিভিন্ন জেলায় কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের ধারাবাহিকতায় উত্তরবঙ্গের ঠাকুরগাঁও জেলায় একটি কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। ছবিতে দেখা যাচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করছেন। তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে আছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান এবং অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ। প্রত্যন্ত অঞ্চল ঠাকুরগাঁওয়ে এই কেন্দ্র স্থাপন স্থানীয় যুবসমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হয়েছিল।

২০০৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জ কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে মোনাজাত করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে উত্তরবঙ্গের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। ছবিতে দেখা যাচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন শেষে মোনাজাত করছেন। ফলকে “বেগম খালেদা জিয়া” নাম লেখা রয়েছে। তাঁর পাশে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান এবং অন্যান্য কর্মকর্তাগণ করতালি দিচ্ছেন। আম ও ফলের জন্য বিখ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জে এই কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন স্থানীয় যুবসমাজের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হয়েছিল।

২০০৬ সালের ৫ আগস্ট লালমনিরহাট কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উদ্বোধন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। পাশে উপস্থিত রয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান

বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে উত্তরবঙ্গের প্রত্যন্ত জেলা লালমনিরহাটে কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়। ছবিতে দেখা যাচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করছেন। ফলকে “লালমনিরহাট কারিগরি প্রশিক্ষণ… শুভ উদ্বোধন করেন বেগম খালেদা জিয়া, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী” লেখা রয়েছে। তাঁর পাশে উপস্থিত রয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান। দেশের অনুন্নত এলাকায় এই ধরনের কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন স্থানীয় যুবসমাজের দক্ষতা বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

২০০৬ সালে ঢাকা ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মহান মে দিবসের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া

প্রতি বছর ১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস বা মহান মে দিবস হিসেবে বিশ্বব্যাপী পালিত হয়। এই উপলক্ষে ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ছবিতে দেখা যাচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান পাশাপাশি বসে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করছেন। মে দিবস শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের দিন হিসেবে পালিত হয় এবং শ্রম মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এই দিনে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এটি শ্রমজীবী মানুষদের প্রতি সরকারের সম্মান ও শ্রদ্ধা প্রদর্শনের একটি বিশেষ মুহূর্ত।

২০০৫ সালে গোপালগঞ্জে বিএনপির ইউনিয়ন প্রতিনিধি সভায় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমান ও সাংগঠনিক সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান।

২০০৫ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) গোপালগঞ্জ জেলায় ইউনিয়ন পর্যায়ের প্রতিনিধি সভার আয়োজন করে। এই সভায় দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য কে এম ওবায়দুর রহমান, খন্দকার মাহবুব উদ্দিন আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান একসাথে রয়েছেন। গোপালগঞ্জ আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী এলাকা হওয়া সত্ত্বেও বিএনপি সেখানে সংগঠন শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছিল। এই ধরনের তৃণমূল পর্যায়ের সভা দলীয় সংগঠনকে মজবুত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

কদমতলী চৌরাস্তায় বিশাল জনসভায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমানের হাতে ধানের শীষ তুলে দেন

২০০৬ সালের ৭ সেপ্টেম্বর ঢাকার কদমতলী চৌরাস্তায় বিএনপির এক বিশাল জনসভার আয়োজন করা হয়। এই জনসভায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমানকে আগামী জাতীয় নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে জনগণের মাঝে পরিচয় করিয়ে দেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী বিএনপির নির্বাচনী প্রতীক “ধানের শীষ” আমান উল্লাহ আমানের হাতে তুলে দিচ্ছেন। এটি ছিল একটি প্রতীকী মুহূর্ত যেখানে দলীয় প্রধান আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীকে জনসমক্ষে ঘোষণা করছেন। এই ঐতিহ্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

কেরানীগঞ্জে বেগম খালেদা জিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া

২০০৬ সালের ৭ সেপ্টেম্বর ঢাকার কেরানীগঞ্জে “বেগম খালেদা জিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র” এর শুভ উদ্বোধন করা হয়। ছবিতে দেখা যাচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করছেন। ফলকে “বেগম খালেদা জিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র… শুভ উদ্বোধন করেন বেগম খালেদা জিয়া” লেখা রয়েছে। তাঁর পাশে উপস্থিত রয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান, যিনি কেরানীগঞ্জ এলাকার সংসদ সদস্যও ছিলেন। নিজ এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর নামে এই কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন ছিল স্থানীয় যুবসমাজের দক্ষতা উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

২০০৫ সালের ১২ অক্টোবর তুলসীখালী সেতুর উদ্বোধন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

২০০৫ সালের ১২ অক্টোবর বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে তুলসীখালী সেতুর উদ্বোধন করা হয়। ছবিতে দেখা যাচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করছেন। তাঁর পাশে উপস্থিত রয়েছেন যোগাযোগ মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান। এই সেতু নির্মাণ স্থানীয় যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ছিল তৎকালীন সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার এবং এই ধরনের সেতু নির্মাণ জনগণের দৈনন্দিন যাতায়াত ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যাপক সুবিধা প্রদান করে।

কোনাখোলা - হরদেবপুর ইটাভাড়া- হোমায়েতপুর মহাসড়কের উদ্বোধন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া

বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকায় একটি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক মহাসড়কের উদ্বোধন করা হয়। এই সড়কটি কোনাখোলা (কেরানীগঞ্জ-খোলামোড়া) থেকে হরদেবপুর, ইটাভাড়া ও হোমায়েতপুর পর্যন্ত বিস্তৃত। ছবিতে দেখা যাচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করছেন। তাঁর পাশে উপস্থিত রয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান, যিনি কেরানীগঞ্জ এলাকার সংসদ সদস্যও ছিলেন। এই মহাসড়ক নির্মাণ স্থানীয় যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে এবং জনগণের দৈনন্দিন যাতায়াতে ব্যাপক সুবিধা প্রদান করেছে।

কলাতিয়া-বালুরটেক ভায়া রামেরকান্দা-রুহিতপুর-সোনাকান্দা সড়কের উদ্বোধন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

২০০৬ সালের ৭ সেপ্টেম্বর বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের উদ্বোধন করা হয়। এই সড়কটি কলাতিয়া-বালুরটেক থেকে রামেরকান্দা, রুহিতপুর ও সোনাকান্দা পর্যন্ত বিস্তৃত। ছবিতে দেখা যাচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করছেন। ফলকে “শুভ উদ্বোধন করেন বেগম খালেদা জিয়া, মাননীয় প্রধান মন্ত্রী” লেখা রয়েছে। তাঁর পাশে উপস্থিত রয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান। একই দিনে কেরানীগঞ্জে একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ছিল এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

২০০৬ সালের ৭ সেপ্টেম্বর কেরানীগঞ্জে উপজেলায় ডাকবাংলো উদ্বোধন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া

২০০৬ সালের ৭ সেপ্টেম্বর বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলায় একটি নতুন ডাকবাংলো উদ্বোধন করা হয়। ছবিতে দেখা যাচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন শেষে মোনাজাত করছেন। ফলকে “উপজেলা ডাকবাংলো… উদ্বোধন করেন… খালেদা জিয়া” লেখা রয়েছে। তাঁর পাশে মোনাজাতরত অবস্থায় রয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান। ডাকবাংলো সরকারি কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাময়িক অবস্থানের জন্য ব্যবহৃত হয়। ৭ সেপ্টেম্বর কেরানীগঞ্জে একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন এলাকার সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।

কেরানীগঞ্জের হয়রতপুরে কৃষি ব্যাংকের শাখা উদ্বোধন করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান।

শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমানকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার হয়রতপুরে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একটি নতুন শাখা উদ্বোধন করতে দেখা যাচ্ছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে তিনি ফিতা কেটে ব্যাংক শাখার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করছেন। তাঁর পাশে ব্যাংকের কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত রয়েছেন। আমান উল্লাহ আমান কেরানীগঞ্জ এলাকার সংসদ সদস্য হিসেবে নিজ এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে সক্রিয় ছিলেন। কৃষি ব্যাংক কৃষক ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে কৃষি ঋণ ও আর্থিক সেবা প্রদান করে থাকে। হয়রতপুরে এই শাখা উদ্বোধন স্থানীয় কৃষক ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যাংকিং সেবা সহজলভ্য করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

কেরানীগঞ্জে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কলেজ একাডেমিক ভবন উদ্বোধন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

২০০৬ সালের ৭ সেপ্টেম্বর বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে ঢাকার কেরানীগঞ্জে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কলেজের একাডেমিক ভবন উদ্বোধন করা হয়। ছবিতে দেখা যাচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করছেন। ফলকে “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কলেজ একাডেমিক ভবন, শুভ উদ্বোধন করেন বেগম খালেদা জিয়া, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী” লেখা রয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন কেরানীগঞ্জ এলাকার শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। একই দিনে কেরানীগঞ্জে একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছিল।

১৯৯৫ সালের ১২ ডিসেম্বর কেরানীগঞ্জের কোদা ইউনিয়নে (পানগাঁও) নৌ-কন্টেইনার পোর্ট নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া

বিএনপি সরকারের প্রথম মেয়াদে (১৯৯১-১৯৯৬) ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার কোদা ইউনিয়নে পানগাঁও নৌ-কন্টেইনার পোর্ট নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। ছবিতে দেখা যাচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করছেন। তাঁর পাশে উপস্থিত রয়েছেন তৎকালীন ডাকসু ভিপি ও কেরানীগঞ্জের সংসদ সদস্য আমান উল্লাহ আমান। পানগাঁও নৌ-কন্টেইনার পোর্ট বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন ও বাণিজ্যের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো যা পরবর্তীতে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।

"কেরানীগঞ্জে ২০০১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর নির্বাচনি সমাবেশে জোট প্রার্থী আমান উল্লাহ আমানের হাতে ধানের শীষ তুলে দিচ্ছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া

অক্টোবর ২০০১ সালে অনুষ্ঠিত অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে ঢাকার কেরানীগঞ্জে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটের নির্বাচনি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ছবিতে দেখা যাচ্ছে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জোট প্রার্থী আমান উল্লাহ আমানের হাতে বিএনপির নির্বাচনী প্রতীক “ধানের শীষ” তুলে দিচ্ছেন। এটি ছিল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীকে জনসমক্ষে ঘোষণা করার একটি প্রতীকী অনুষ্ঠান। আমান উল্লাহ আমান এই নির্বাচনে কেরানীগঞ্জ থেকে বিজয়ী হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং পরবর্তীতে বিএনপি সরকারে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিনে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন আমান উল্লাহ আমান।

শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমানকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানাতে দেখা যাচ্ছে। বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন প্রতি বছর ১৫ আগস্ট পালিত হয়। ছবিতে দেখা যাচ্ছে আমান উল্লাহ আমান ফুলের তোড়া দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। পেছনে বিএনপির অন্যান্য শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে দলীয় নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানানো বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির একটি অংশ। এটি নেতা ও কর্মীদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের প্রতিফলন।

আলীয়া মাদরাসার বিশেষ তত্ত্ব আদালত থেকে বের হয়ে আসছেন বেগম খালেদা জিয়া পাশে আমান উল্লাহ আমান।

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে আলীয়া মাদরাসায় স্থাপিত বিশেষ আদালত থেকে বের হয়ে আসতে দেখা যাচ্ছে। তাঁর পাশে রয়েছেন বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমান। ২০০৭-২০০৮ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে বেগম খালেদা জিয়াসহ বিএনপির অনেক শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলা দায়ের করা হয়। এই সময়ে তাঁকে বিভিন্ন আদালতে হাজিরা দিতে হতো। ছবিতে দেখা যাচ্ছে বিপুল সংখ্যক সমর্থক ও সাংবাদিকদের ভিড়ের মধ্যে তিনি আদালত থেকে বের হচ্ছেন। আমান উল্লাহ আমান এই কঠিন সময়েও দলীয় নেত্রীর পাশে থেকে তাঁকে সমর্থন জানিয়েছেন।

মে দিবসের অনুষ্ঠানস্থলে যাওয়ার পূর্ব মুহূর্তে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাথে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান।

প্রতি বছর মহান মে দিবস উপলক্ষে সরকারিভাবে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ছবিতে দেখা যাচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মে দিবসের অনুষ্ঠানস্থলে যাওয়ার পূর্ব মুহূর্তে প্রস্তুত হচ্ছেন। তাঁর গলায় ও বুকে ফুলের মালা শোভা পাচ্ছে। তাঁর সাথে রয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান। মে দিবস শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন হিসেবে পালিত হয় এবং শ্রম মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আমান উল্লাহ আমান এই দিবসের আয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতেন।

আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন ব্যারিস্টার ইরফান ইবনে আমান (অমি), পাশে আমান উল্লাহ আমান।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন ও আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন ব্যারিস্টার ইরফান ইবনে আমান (অমি)। তিনি বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমানের পুত্র। ছবিতে পাশে দাঁড়িয়ে আছেন আমান উল্লাহ আমান। পেছনে দেয়ালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার প্রতিকৃতি শোভা পাচ্ছে। ব্যারিস্টার ইরফান ইবনে আমান বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করে রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন। এই সাক্ষাৎ দলীয় নেত্রীর প্রতি পরিবারের আনুগত্য ও শ্রদ্ধার প্রতিফলন। তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বে আসা বিএনপির ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার ইঙ্গিত বহন করে।

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভ উদ্বোধন করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম জিয়া, পাশে আমান উল্লাহ আমান।

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) অঙ্গ সংগঠন এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত ছাত্র সংগঠন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভ উদ্বোধন করছেন। তাঁর হাতে “শুভ উদ্বোধন” লেখা ব্যানার রয়েছে এবং আকাশে রঙিন বেলুন উড়ানো হচ্ছে। তাঁর পাশে উপস্থিত রয়েছেন বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমান। ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী প্রতি বছর জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদযাপিত হয় এবং এতে দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর জুলমত আলী খানের বাসভবনে আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাথে সাক্ষাৎ করেন '৯০-এর সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের নেতৃবৃন্দ।

১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এই দিনেই স্বৈরাচারী জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ গণআন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে এই ঐতিহাসিক বিজয়ের দিনে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের নেতৃবৃন্দ জুলমত আলী খানের বাসভবনে আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাথে সাক্ষাৎ করছেন। এই ছাত্রনেতারা স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। বিজয়ের এই আনন্দময় মুহূর্তে তাঁরা দলীয় নেত্রীর সাথে মিলিত হয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সাফল্য উদযাপন করছেন।

১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় ডাকসুর সাবেক ভিপি জনাব আমান উল্লাহ আমানকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার গণসংবর্ধনা প্রদান করে।

১৯৯১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডাকসুর সাবেক ভিপি আমান উল্লাহ আমান কেরানীগঞ্জ-দোহার এলাকা থেকে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এই সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার তাঁকে গণসংবর্ধনা প্রদান করে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে ফুলের মালা গলায় আমান উল্লাহ আমান সংবর্ধনা গ্রহণ করছেন এবং তাঁর চারপাশে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্র ও শুভানুধ্যায়ীরা উল্লসিত অবস্থায় রয়েছেন। ১৯৯০ সালের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম নায়ক হিসেবে তাঁর সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া ছিল বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের জন্য গর্বের বিষয়।

২০০৫ সালের ১২ অক্টোবর তৃতীয় বুড়িগঙ্গা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। পাশে উপস্থিত রয়েছেন যোগাযোগ মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান।

২০০৫ সালের ১২ অক্টোবর বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর উপর তৃতীয় সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। ছবিতে দেখা যাচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করছেন। ফলকে “৩য় বুড়িগঙ্গা সেতু… মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া” লেখা রয়েছে। তাঁর পাশে উপস্থিত রয়েছেন যোগাযোগ মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান। বুড়িগঙ্গা নদীর উপর এই সেতু নির্মাণ ঢাকা শহর ও দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হয়েছিল।

২০০২ সালের ১৮ জুন কেরানীগঞ্জে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কলেজের উদ্বোধন শেষে মোনাজাত করছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমান ও আমান উল্লাহ আমান।

২০০২ সালের ১৮ জুন বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে ঢাকার কেরানীগঞ্জে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কলেজ উদ্বোধন করা হয়। ছবিতে দেখা যাচ্ছে উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমান এবং কেরানীগঞ্জের সংসদ সদস্য আমান উল্লাহ আমান একসাথে মোনাজাত করছেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন কেরানীগঞ্জ এলাকার শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। আমান উল্লাহ আমান নিজ এলাকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন এবং তারেক রহমানের উপস্থিতি এই অনুষ্ঠানকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিল।

কেরানীগঞ্জের সুন্দুরটিয়া উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় মাঠে ঢাকা বিভাগীয় ছাত্রদলের তৃণমূল প্রতিনিধি সভায় আগত ছাত্রদের হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমান ও সাংগঠনিক সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান

ঢাকার কেরানীগঞ্জের সুন্দুরটিয়া উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় মাঠে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা বিভাগীয় তৃণমূল প্রতিনিধি সভার দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। পেছনে ব্যানারে “ছাত্রদল তৃণমূল প্রতিনিধি” লেখা রয়েছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান হাত উঁচিয়ে সমবেত ছাত্রদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। তৃণমূল প্রতিনিধি সভা ছাত্রদলের সাংগঠনিক কাঠামো মজবুত করতে এবং তরুণ নেতৃত্ব গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আমান উল্লাহ আমান কেরানীগঞ্জের সংসদ সদস্য হওয়ায় এই অনুষ্ঠান তাঁর নিজ এলাকায় আয়োজিত হয়েছিল।