সাবেক মন্ত্রী, চারবারের এমপি ও বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা
আমি আমানউল্লাহ আমান। রাজনীতিকে আমি ক্ষমতার প্রদর্শন হিসেবে নয়, মানুষের অধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার একটি দায়িত্ব হিসেবে দেখি। জনগণের বিশ্বাস ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতেই আমার রাজনৈতিক পথচলা।
সংসদীয় অভিজ্ঞতা
দীর্ঘ পার্লামেন্টারি সেবা
দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা
প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নেতৃত্ব
গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ভূমিকা
মানুষের অধিকারে সোচ্চার
সামাজিক দায়বদ্ধতা
জনগণের প্রতি অঙ্গীকার
আমার সম্পর্কে কিছু কথা
আমি আমানউল্লাহ আমান। রাজনীতিকে আমি কখনোই ক্ষমতার প্রকাশ হিসেবে দেখিনি। আমার কাছে রাজনীতি মানে মানুষের অধিকার রক্ষা, রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব পালন এবং সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার একটি ধারাবাহিক অঙ্গীকার। সংযমের সাথে সিদ্ধান্ত নেওয়া, জনগণের কাছে জবাবদিহি থাকা এবং মানুষের বিশ্বাস অর্জন—এই তিনটি মূলনীতির উপরই আমার রাজনৈতিক পথচলা গড়ে উঠেছে। আমি বিশ্বাস করি, শক্তিশালী রাষ্ট্র গড়ে ওঠে দায়িত্বশীল নেতৃত্ব ও সচেতন নাগরিকের সম্মিলিত প্রয়াসে।
- গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার
- আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার
- জনগণের প্রতি জবাবদিহিতা
- তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ
জনগণের সাথে প্রতিদিনের যোগাযোগ
সরাসরি দেখুন আমার ফেসবুক থেকে সাম্প্রতিক কার্যক্রম, বক্তব্য ও জনসম্পৃক্ততা।
সামাজিক কর্মকাণ্ড
সরাসরি দেখুন আমার ফেসবুক থেকে সাম্প্রতিক কার্যক্রম, বক্তব্য ও জনসম্পৃক্ততা।
আটি পাঁচদোনা উচ্চ বিদ্যালয়ের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রধান অতিথি হিসেবে
ক্রীড়া উদ্যোক্তা আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৫
দেশব্যাপী খেলাধুলাকে আরো অনুপ্রাণিত করতে আমরা সবসময় সাথে থাকার চেষ্টা করি
দেশনায়ক তারেক রহমানের ২৫ কোটি গাছ রোপণ কর্মসূচীর সম্পকে জনমত গড়ে তুলতে আয়োজিত
শারদীয় দুর্গাপূজাতে হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়ের মুহূর্তে
অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সবসময় ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সাথে কাঁধ মিলিয়ে চলতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন। উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সংগ্রামী মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সহ হাজার হাজার নেতাকর্মী
জুলাই অভ্যুত্থানের ১৯ জুলাই ২০২৪ সন্ত্রাসী বাহিনীদের গুলিতে মাথায় গুলি লেগে শহীদ হয় কেরানীগঞ্জের ছেলে মোঃ রিয়াজ হোসেন। ৬ই আগস্ট আমান উল্লাহ আমান কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে ৮-ই আগস্ট শহীদ রিয়াজের কবর জিয়ারত করেন।
১৭ বছরের দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের পর দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি জুলাই গনঅভ্যুত্থানে অংশ নেয় । ৫ই আগস্ট সেই সংগ্রামের সফলতায় স্বৈরাচার হাসিনার পতন ঘটে। ৭ই আগস্ট বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদীদল দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রতিজ্ঞায় সমাবেশের আয়োজন করে
১৭ বছরের দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের অংশ হিসেবে দেশনায়ক তারেক রহমান ১ দফার ঘোষণা দেন ২০২৩ সালের আগস্টে। সেই আন্দোলনের গনমিছিলে ঢাকা মহানগির উত্তর বিএনপির আহবায়ক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমান উল্লাহ আমান
১৭ বছরের দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামে বেশিরভাগ মুহূর্ত কেটেছে রাজপথে। ফ্যাসিস্ট হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে কেরানীগঞ্জ তথা ঢাকা-২ আসনের জনগণের অংশগ্রহন ছিল সবসময় অগ্রগামী।
রাজপথই আমাদের পরিচয়। দেশের প্রয়োজনে রাজপথই সমাধান।
ফ্যাসিস্ট হাসিনার পদত্যাগসহ নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের এক দফা দাবিতে আগামীকাল ২৯ জুলাই ২০২৩, ঢাকা মহানগরীর সকল গুরত্বপূর্ণ প্রবেশমুখে সকাল ১১টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ‘অবস্থান’ কর্মসূচি।
১৮ ও ১৯ জুলাই ২০২৩, বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর পদযাত্রা কর্মসূচির সাফল্যে জনগণের রায় প্রতিফলিত হয়েছে। শেখ হাসিনার পদত্যাগের পক্ষে জনগণের রায় ঘোষিত হয়েছে এই কর্মসূচিতে। গতকালের ঢাকাসহ সারাদেশে পদযাত্রা।
২৯ জুন ২০২৩ ,মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর কবর জিয়ারত করেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব আমান উল্লাহ আমান এবং সদস্য সচিব আমিনুল হক। উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আয়োজিত জনসভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আলহাজ্ব আমান উল্লাহ আমান। বক্তব্য রাখছে জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী
রাজনৈতিক পথচলা

১৯৭৯ সালে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর আমান উল্লাহ আমান ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে যোগদান করে। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জসীম উদ্দীন হলে নেতৃত্বের মাধ্যমেই ছাত্রদলকে সুসংগঠিত করতে থাকে। একটি বৃহৎ কর্মীবান্ধব সংগঠন তৈরি হলো আমান উল্লাহ আমান ভাইদের নেতৃত্বে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এরশাদ বিরোধী আন্দোলন তখন চাঙ্গা, এই সময় ১৯৯০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো এবং আমান উল্লাহ আমান ভাইদের নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জিত হয়। সেই নেতৃত্বই পরবর্তীতে স্বৈরাচার এরশাদ পতনের অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিলো।

বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার আপোষহীন সমর্থনে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০ হাজার শিক্ষার্থীর ভোটে নিরুঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সমর্থিত আমান - খোকন - আলম পরিষদ।৬ জুনের নির্বাচনের আগে বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্র এবং স্বৈরাচারের দোসরদের রুখে দিতে বলেছিলেন আমান-খোকন-আলম প্যানেল যদি ১ ভোটও পায় তবুও এটা আমার প্যানেল। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অকুণ্ঠ এবং আপোষহীন নেতৃত্ব আমান-খোকন-আলম প্যানেলের বিজয়ের অন্যমত চাবিকাঠি

বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের মতানৈক্য থাকলেও আমরা সবাই এই ঐকমত্যে পৌঁছাতে পেরেছি যে, স্বৈরাচার হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদের পতন আন্দোলনে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকবো। আপনারা জানেন এর পরপরই স্বৈরাচার আর বেশিদিন টিকতে পারেনি। ২৭ নভেম্বর স্বৈরাচারের দোসর অভি-নিরুর নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ব্যাপক গোলাগুলির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। স্বৈরাচারের লেলিয়ে দেওয়া বাহিনী অত্যন্ত কাছ থেকে ডা. মিলনকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং মৃত্যুবরণ করেন। সারা বাংলাদেশে তখন স্বৈরাচার পতনের আন্দোলন আরও বেগবান হতে থাকলো।
অবশেষে '৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মুখে স্বৈরাচার হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয়। আমরা যে ওয়াদা বা অঙ্গীকার করেছিলাম জাতির কাছে, জনগণের কাছে, ছাত্র সমাজের মাঝে, আমরা আল্লাহর রহমতে সেই দিন সেই অঙ্গীকার রক্ষা করতে পেরেছি।

১৯৯০ সালে স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের পতনের পর ১৯৯১ সালের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা আমান উল্লাহ আমানের ছিল না ।
কেরানীগঞ্জের জিঞ্জিরা ঈদগাহ ময়দানে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষ তাঁর পক্ষে স্লোগান দেয়। এই জনমতের কথা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া জানতে পারেন।
বেগম খালেদা জিয়া তাঁকে ডেকে পাঠান এবং সরাসরি কেরানীগঞ্জ থেকে নির্বাচন করার নির্দেশ দেন। আমান উল্লাহ আমান নিজের অপ্রস্তুতির কথা জানালেও খালেদা জিয়া অনড় থাকেন এবং প্রতিপক্ষকে (যুবলীগ চেয়ারম্যান মোস্তফা মহসিন মন্টু) পরাজিত করার জন্য তাঁকে উৎসাহ দেন।

৯৬ তে হাসিনা সরকার গঠনের কিছুদিন পরেই দেশের মানুষের কাছে তার শাসনআমল হয়ে উঠে দুঃসহ। দ্রব্যমূল্যের চরম ঊর্ধ্বগতি, চরম দুর্নীতি, সন্ত্রাসের আধিপত্য বেড়ে মানুষ চরম অতিষ্ঠ হয়ে উঠে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপোষহীন আর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে আমরা মানুষের অধিকারে পক্ষে লড়াইয়ের অংশ হিসেবে রাজপথে নামী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, যুবদল, ছাত্রদলসহ আরো সমমনা দলগুলো। পরবর্তীতে ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে দেশের জনগণ আবারো বিএনপি তথা চারদলীয় ঐক্যজোটকে বিজয়ী করে এবং শুধু বিএনপি ১৯৩ টি সংসদীয় আসনে বিজয়ী হয়ে নিরুঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়

বিএনপি নেতা আমানউল্লাহ আমান ঢাকা-৩ আসন থেকে ১৯৯১, ১৯৯৬ (ফেব্রুয়ারি ও জুন) এবং ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে টানা চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এই জয়গুলোতে তিনি মোস্তফা মহসীন মন্টু, মো. শাহজাহান এবং নসরুল হামিদ বিপুর মতো প্রার্থীদের পরাজিত করেন। ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকা কেন্দ্রিক এই আসনগুলো থেকে তিনি দীর্ঘ সময় সংসদীয় প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

২০০৭ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি আমি গ্রেফতার হওয়ার পরে, অজানার উদ্দেশ্যে কোথাও একটি জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে বুঝতে পারলাম, এটা বিডিআর-এর হেড কোয়ার্টার। সেখানে আমাদের চোখ বেঁধে নির্যাতন করা হয়। ৫ ফেব্রুয়ারি আমাদের চোখ বেঁধে গাড়িতে ওঠালো। জিজ্ঞেস করলাম কোথায় নেওয়া হচ্ছে। তারা কোনো কথাই বললো না। গাড়ি চলতে লাগলো আবারও অজানার উদ্দেশ্যে।

হাসিনা বিরোধী দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামে অগণিত বার অবৈধ গ্রেফতার, ৩০০ এর অধিক ভুয়া ও গায়েবী মামলার শিকার। এই দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের পথচলায় আমরা হারিয়েছি হাজার হাজার কর্মী সমর্থক। ফ্যাসিস্ট হাসিনার গুমবাহিনীর হাতে গুমের শিকার হয় কয়েক হাজার নেতাকর্মী। ৬০ লক্ষ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে হয় লক্ষ লক্ষ মামলা । সর্বশেষ হাসিনা পতন আন্দোলন চলাকালীন ১৬ জুলাই, ২০২৪ সালে পুনরায় গ্রেফতারের শিকার। হাসিনার এই আক্রোশ থেকে রক্ষা পায়নি বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী , বাংলাদেশের প্রথম এবং মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তাকে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলায় অবৈধ কোর্ট অবৈধ সাজা দিয়ে জেলে পাঠায় । জেলে থাকা অবস্থায় তাকে স্লো পয়জনের মাধ্যমে চরম অসুস্থ্য করে ফেলা হয় তবু উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে দেয়নি । যার ফলশ্রুতিতে ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর সকাল ৬ ঘটিকার সময় বাংলাদেশের এই আপোষহীন নেত্রী শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন উনাকে বেহেস্তের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুক। আমীন ।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)
৩১ দফা – রাষ্ট্র সংস্কারের রূপরেখা
৩১ দফা হচ্ছে জনগণের অধিকার, রাষ্ট্রের জবাবদিহিতা ও ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের জন্য একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা।
বৈষম্যহীন ও সম্প্রীতিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা
প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধের রাজনীতির বিপরীতে সম্প্রীতির রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা
গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা
নির্বাচনকালীন দলনিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন
রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা
নির্বাহী, আইন ও বিচার বিভাগের ক্ষমতার সুষমায়ন
প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিতকরণ
পরপর দুই টার্মের অতিরিক্ত কেউ প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না
উচ্চকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা প্রবর্তন
বিশেষজ্ঞ জ্ঞানের সমন্বয়ে সংসদে উচ্চকক্ষ প্রতিষ্ঠা
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন
সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে মতামত প্রদানের সুযোগ
কার্যকর নির্বাচন কমিশন গঠন
পেপার-ব্যালটে ভোট, স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রতীক বাতিল
রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন
সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে দক্ষতা ও জবাবদিহিতায় পুনঃপ্রতিষ্ঠা
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা
জুডিশিয়াল কমিশন গঠন ও বিচারপতি নিয়োগ আইন প্রণয়ন
প্রশাসনিক সংস্কার কমিশন
মেধা ও দক্ষতাভিত্তিক নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতি নিশ্চিত
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা
মিডিয়া কমিশন গঠন ও কালাকানুন বাতিল
দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন
অর্থপাচার দমন, শ্বেতপত্র প্রকাশ ও ন্যায়পাল নিয়োগ
মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণ
গুম-খুন-নির্যাতনের অবসান ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা
অর্থনৈতিক সংস্কার কমিশন
অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার ও ধনী-দরিদ্র বৈষম্য দূরীকরণ
ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সংখ্যালঘু সুরক্ষা
ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার – এই নীতি বাস্তবায়ন
তরুণদের কর্মসংস্থান
শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও শিশু-শ্রম বন্ধ
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত সংস্কার
কালাকানুন বাতিল ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ
জাতীয় স্বার্থ ভিত্তিক পররাষ্ট্রনীতি
সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা
প্রতিরক্ষা বাহিনী শক্তিশালীকরণ
দেশের সার্বভৌম সুরক্ষায় যুগোপযোগী বাহিনী গঠন
স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণ
ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ ও স্বাধীন স্থানীয় সরকার
মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক তালিকা
শহীদদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও পরিবারের কল্যাণ নিশ্চিত
ঘর উন্নয়ন ও বেকার ভাতা
শিক্ষিত বেকারদের এক বছরের ভাতা ও চাকরির বয়সসীমা বৃদ্ধি
নারীর ক্ষমতায়ন
সংসদে নারীর মনোনয়ন অগ্রাধিকার ও স্থানীয় সরকারে অংশগ্রহণ
শিক্ষা খাত সংস্কার
জিডিপির ৫% শিক্ষায় বরাদ্দ ও ছাত্র সংসদ নির্বাচন
সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা
যুক্তরাজ্যের আদলে স্বাস্থ্য কার্ড ও বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু নয়
স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি
জিডিপির ৫% স্বাস্থ্য বরাদ্দ ও সামাজিক নিরাপত্তা সম্প্রসারণ
কৃষি উন্নয়ন ও ন্যায্যমূল্য
শস্য-পশু-মৎস্য বীমা চালু ও সরকারি ক্রয়কেন্দ্র স্থাপন
যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন
সড়ক-রেল-নৌপথের সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা
প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা ও নদী-জলাশয় দূষণ প্রতিরোধ
তথ্য প্রযুক্তি ও গবেষণা
আইসিটি খাতে বৈশ্বিক মানোন্নয়ন ও মহাকাশ গবেষণা
পরিকল্পিত আবাসন ও নগরায়ন
কৃষি জমি রক্ষা করে দরিদ্রদের আবাসন নিশ্চিত