দীর্ঘদিন অবহেলিত থাকার পর কেরানীগঞ্জের ইটাভাড়া সেতুর (আলীপুর ব্রিজে) আধুনিক লাইট স্থাপনের মাধ্যমে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দেন জননেতা আমান উল্লাহ আমান—ঢাকা-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য, পাঁচবারের সংসদ সদস্য, সাবেক ডাকসু ভিপি ও দুইবারের মন্ত্রী। তাঁর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়িত এই উদ্যোগ কেবল অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, বরং জননিরাপত্তা ও এলাকার সৌন্দর্য বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
অন্ধকার থেকে আলোর পথে কেরানীগঞ্জ
প্রায় ১৭ বছর ধরে অন্ধকারে নিমজ্জিত থাকা এই গুরুত্বপূর্ণ সেতুটি স্থানীয় জনগণের জন্য ছিল এক দীর্ঘস্থায়ী দুর্ভোগের প্রতীক। আমান উল্লাহ আমানের উদ্যোগে সেখানে ফাসিস্ট আমলে খোলা হয়নি এমন আলো পুনঃস্থাপন করা হয়েছে, যা মানুষের চলাচলকে নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক করেছে। এই বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ তাঁর জনমুখী রাজনীতির একটি উজ্জ্বল উদাহরণ, যেখানে উন্নয়ন সরাসরি মানুষের জীবনমানের সঙ্গে সম্পর্কিত।
সরোজমিনে উপস্থিতিতে দায়িত্বশীল নেতৃত্ব
উদ্বোধনের সময় আমান উল্লাহ আমান নিজে উপস্থিত থেকে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং দোয়া-মোনাজাতে অংশ নেন। তাঁর এই সরোজমিনে উপস্থিতি প্রমাণ করে যে তিনি কেবল নীতিনির্ধারক নন, বরং বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপে সক্রিয় একজন নেতা। একজন পাঁচবারের সংসদ সদস্য ও দুইবারের মন্ত্রী হিসেবে তাঁর এই দায়িত্বশীলতা জনগণের আস্থা আরও দৃঢ় করে।

জনসম্পৃক্ততায় উন্নয়নের ধারাবাহিকতা
এই কর্মসূচিতে স্থানীয় জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণ ছিল লক্ষণীয়, যা প্রমাণ করে যে আমান উল্লাহ আমানের প্রতি মানুষের আস্থা কতটা গভীর। উন্নয়ন কার্যক্রমকে জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে তিনি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ তৈরি করেছেন। সাবেক ডাকসু ভিপি হিসেবে ছাত্রজীবন থেকেই যে নেতৃত্বগুণ তিনি অর্জন করেছেন, তা আজও তাঁর প্রতিটি কর্মকাণ্ডে প্রতিফলিত হয়।
নতুন প্রজন্মের জন্য আলোকিত ভবিষ্যতের দিশা
এই উদ্যোগ শুধু একটি সেতুর আলোকসজ্জা নয়, বরং একটি বার্তা—অবহেলিত উন্নয়নকেও গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে নিতে হবে। আমান উল্লাহ আমানের নেতৃত্ব তরুণ প্রজন্মকে শেখায় কীভাবে দায়িত্ববোধ, পরিকল্পনা ও জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে বাস্তব পরিবর্তন আনা সম্ভব। তাঁর এই কার্যক্রম ভবিষ্যতের নেতৃত্বের জন্য একটি অনুপ্রেরণামূলক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।


